Ajkerupdatenews | Highest Circulated Newspaper

Bangla TV news, bangladeshi tv channel live news news, bangladesh news update live, bangladesh lockdown news update today bangla, HSC Admission, SSC Admission, bd govt job circular 2021 today, public university admission 2021, university admission update news, today news somoy tv, today news india, education news bd bangla, bd education news somoy tv, education live bd news corona news update today bangladesh jamuna tv, Alaminitbd, Ajkerupdatenews

Breaking

Time and Date

|

Post Top Ad

ইউটিউবে Alaminitbd কে সাবস্ক্রাইব করুন

Thursday, August 26, 2021

Class 9 12th Week Physical Science Assignment Answer

 

Class 9 12th Week Physical Science Assignment

Class 9 12th Week Physical Science Assignment

Class 9 12th Week Physical Science Assignment Answer

Here you will get class 9 Physical Science 12th Week assignment question & answer 2021.

শৈশব থেকে আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য যে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে শারীরিক শিক্ষা বলা হয়। শারীরিক শিক্ষা বলতে খেলাধুলো, যোগা, ওয়ার্কআউট, প্রাণায়াম এবং ধ্যানের মতো ক্রিয়াকালাপকে। জীবনে যেমন প্রতিটি শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে শারীরিক শিক্ষা। শারীরিক শিক্ষা দেহ ফিট এবং সুস্থ রাখে। শৈশব কাল থেকেই এই শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
শারীরিক শিক্ষার সংজ্ঞা
শারীরিক শিক্ষা হল শরীরচর্চা শিক্ষা অর্থাৎ শারীরিক অনুশীলন, খেলাধুলো এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে নিয়মিত নির্দেশ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। শারীরিক শিক্ষা শব্দটি সাধারণত স্কুল ও কলেজ শিক্ষার সঙ্গে জড়িত। এই শিক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে তার স্বাস্থ্য, মন এবং সুস্থ শরীর সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সুস্থ শরীর এবং সুস্থ মন পেতে চাইলে একজন শিক্ষার্থীর পাশাপাশি প্রত্যেকটি ব্যক্তির নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা অনুশীলন করা উচিত। আমরা যদি শারীরিক শিক্ষার গুরুত্ব না বুঝি অথবা এই সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকে তাহলে আমরা দেহের সঠিক যত্ন নিতে পারব না। যার কারণে শরীর সুস্থ থাকতে সক্ষম হবে না।
বয়সের বয়সের পাশাপাশি হজম শক্তির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধী শক্তি হ্রাস শুরু হয়। এবং বিভিন্ন ধরণের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের শারীরিক অনুশীলন এবং যোগব্যায়াম করা উচিত। তাই শারীরিক শিক্ষা শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক শিক্ষা একটি শক্তিশালী শরীর এবং একটি শান্ত মন তৈরি করতে পারে। এখন প্রতিটি দেশ শৈশব সময় থেকেই যোগ এবং প্রাণায়াম গ্রহণ করেছে।
শারীরিক শিক্ষা ও শিক্ষার সম্পর্ক সম্বন্ধে সি. এ. বুচার (C.A.Bucher) বলেছেন- ‘শারীরিক শিক্ষা, শিক্ষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শারীরিক শিক্ষা হলো সুনির্দিষ্ট শারীরিক কাজকর্মের মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক, আবেগিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা।’ এ আলোচনা থেকে বোঝা যায় শিক্ষা ও শারীরিক শিক্ষা একে অপরের পরিপূরক।

ডি. কে. ম্যাথিউস বলেছেন, শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত শিক্ষাই শারীরিক শিক্ষা।

হপ স্মিথ ও ক্লিফটন বলেছেন, বিজ্ঞানসম্মত ও কৌশলগত অঙ্গসঞ্চালনের নাম শারীরিক শিক্ষা।

জে. বি. ন্যাশের ভাষায়, ‘শারীরিক শিক্ষা গোটা শিক্ষার এমন একদিক যা মাংসপেশির সঠিক সঞ্চালন ও এর প্রতিক্রিয়ার ফল হিসেবে ব্যক্তির দেহের ও স্বভাবের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সাধন করে।
 
শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
সাধারণভাবে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এই ধারণার মধ্যে আমরা কোনো পার্থক্য করি না। অনেক সময় একের জায়গায় অন্যটিকে ব্যবহার করি। কিন্তু এই দুই ধারণা সমার্থক নয়। এদের মধ্যে পার্থক্য আছে। লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল আর উদ্দেশ্য হলো সেই গন্তব্যস্থলে পৌছানোর সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্ট পদক্ষেপসমূহ। যেমন- সিঁড়ি বেয়ে ছাদে ওঠার ক্ষেত্রে লক্ষ্য হলো ছাদ, আর সিঁড়ির এক একটি ধাপ হলো উদ্দেশ্য। লক্ষ্যের অস্তিত্ব মানুষের কল্পনায়, তার রুপায়ণ সম্ভব হয় না। কিন্তু উদ্দেশ্য হলো বাস্তব। মানুষ উদ্দেশ্য লাভ করতে পারে এমনকি তার পরিমাপও সম্ভব।
শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য
শারীরিক শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ব্যক্তির সর্বাত্মক উন্নতি সাধন করা, সুস্থদেহে সুন্দর মন গড়া। শারীরিক শিক্ষার প্রধান কাজ হলো শিশুকে আনন্দ ও খেলাধূলার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা। বিভিন্ন শারীরিক শিক্ষাবিদগণ শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে নিম্নলিখিত মত ব্যক্ত করেছেন।
উইলিয়ামস-এর মতে, ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো ব্যক্তির শারীরিক, সামাজিক ও অন্যান্য দিকের সুষম উন্নতি ঘটিয়ে ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনের চেষ্টা করা’।

বুক ওয়াল্টার বলেছেন ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দিক সমূহের সুসমন্বিত বিকাশ সাধন।’ এই বিকাশ সাধনের উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনেচলা ও নিয়মনীতি অনুসারে পরিচালিত খেলাধুলা, ছন্দোময় ব্যায়াম এবং জিমন্যাস্টিকস্ ইত্যাদি ক্রিয়াক্রর্মে অংশগ্রহণ।
এম. জি. ম্যাসন ও এ. জি. এল ভেল্টার বলেছেন-
১. শিশুকে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার জন্য তাকে সুস্থভাবে গড়ে তোলা।
২. শিশুর সৃজনশীল প্রতিভার উন্মেষ ঘটানো।
৩. সামাজিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করা।
৪. নৈতিক, আবেগিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক গুণাবলি অর্জনে অনুপ্রণিত করা।
৫. খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বদানের গুণাবলি অর্জন করা।
শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য
শারীরিক শিক্ষাবিদগণ শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য বেশ কয়েকটি অন্তর্বর্তী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলোই শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হিসেবে স্বীকৃত। বিশেষজ্ঞগণ কিছু উদ্দেশ্য সম্পর্কে একমত হলেও কিছু উদ্দেশ্য নিযে মতের ভিন্নতাও প্রকাশ করেছেন। কয়েকটি প্রাথমিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতামত থেকে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব। বিভিন্ন চিন্তাবিদদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মতামত বিবেচনা করে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা-
১. শারীরিক সুস্থতা অর্জন।
২. মানসিক বিকাশ সাধন।
৩. চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন।
৪. সামাজিক গুণাবলি অর্জন।
১. শারীরিক সুস্থতা অর্জন
ক. খেলাধুলার নিয়মকানুন মেনে ভালো করে খেলতে পারা।
খ. কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিল করা।
গ. স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বয় সাধনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
ঘ. দেহ ও মনের সুষম উন্নতি করা।
ঙ. সুস্বাস্থ্যের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা অর্জন করা।
চ. সহিষ্ণুতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করা।
২.মানসিক বিকাশ সাধন
ক. উপস্থিত চিন্তাধারার বিকাশ সাধন।
খ. নৈতিকতা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন।
গ. সেবা ও আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হওয়া।
ঘ. বিভিন্ন দলের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে ওঠা।
৩. চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন
ক. আনুগত্যবোধ ও নৈতিকতা বৃদ্ধি পাওয়া।
খ. খেলাধুলার মাধ্যমে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হওয়া।
গ. খেলোয়াড় ও বন্ধুত্বসূলব মনোভাব গড়ে ওঠা।
ঘ. প্রতিদ্বন্ধীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মনোভাব গড়ে ওঠা।
ঙ. আত্মসংযমী হওয়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
৪. সামাজিক গুণাবলি অর্জন
ক. নেতৃত্বদানের সক্ষমতা অর্জন ও সামাজিক গুণাবলি অর্জন করা।
খ. বিনোদনের সাথে অবসর সময় কাটানোর উপায় জানা।
গ. বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করা
ঘ. সকলের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা।
শারীরিক শিক্ষাবিদদের মতামত থেকে এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য সাধারণ শিক্ষার মতোই ব্যক্তিসত্তার সর্বোচ্চ ও সুষম বিকাশ সাধন করে থাকে এবং পরিকল্পিতভাবে খেলাধুলায় পারদর্শিতা অর্জনে সাহায্য করে।
শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, ব্যায়াম, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ও বিনোদনমূলক যে সমস্ত কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হয় তাকে শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি বলে। একজন শারীরিক শিক্ষক যে সমস্ত কার্য সম্পাদন করেন তাই এই কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত।
এ কর্মসূচিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়-
১. অত্যাবশ্যকীয় কর্মসুচি (Compulsory Service Programme)
২. অন্তঃক্রীড়াসূচি (Intramural Sports)
৩. আন্তঃক্রীড়াসূচি (Extramural Sports)
১.অত্যাবশ্যকীয় কর্মসূচী (Compulsory Service Programme):

No comments: